Share News

শুভশ্রী, এখন কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত শুরু হয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে, আর তাতেই যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করছে। আজ আমেরিকা ‘ডুমসডে’ নামের পরমাণু অস্ত্র বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষামূলকভাবে উৎক্ষেপণ করেছে। ঘণ্টায় ২৮ হাজার কিমি বেগে উড়ে, এটি ৬,৭০০ কিমি থেকে ১৩,০০০ কিমি দূরত্বে নির্ভুল আঘাত করতে সক্ষম। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ বার্তা হিসেবে ইরানকে দেখানো হলো যে, যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো সময় তেহরানকে সরাসরি লক্ষ্য করতে পারে।
একই সঙ্গে, আমেরিকা ইরানকে লক্ষ্য করে ‘টোমাহক’ মিসাইলও ছুঁড়েছে। নৌবাহিনীর ব্যবহৃত এই ক্ষেপণাস্ত্রের রেঞ্জ ১৬০০–১৭০০ কিমি। মূলত যুদ্ধজাহাজ থেকে স্থলভাগে নির্দিষ্ট টার্গেটে আঘাত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। পারস্য উপসাগরে আমেরিকার ট্যাঙ্কারে হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরানও নৌসীমায় উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। গতকাল ভারত মহাসাগরে হামলায় আমেরিকা ৮০-এর বেশি ইরানি সৈনিক নিহত করেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি যতই উত্তপ্ত হোক, এখন কোনও দেশই সরাসরি পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করবে না। তবে ‘ডুমসডে’ মিসাইলের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ যুদ্ধের তীব্রতা ও মার্কিন বার্তাকে আরও স্পষ্ট করেছে। ইরানের কাছে এখন এতদূরত্বের মিসাইল নেই। যুদ্ধের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং সময়ই নির্ধারণ করবে, কারা কতটা এগোবে।
মোটকথা, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে, এবং যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সংঘাতে ‘ডুমসডে’ ও ‘টোমাহক’ পরীক্ষার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব ও সতর্কবার্তা স্পষ্ট হচ্ছে।