Share News

শুভশ্রী, এখন কলকাতা : ৩ মার্চ দোলপূর্ণিমা। রং ও আনন্দের এই উৎসব ঘিরে প্রতি বছরই উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন শহরবাসী। তবে চলতি বছরে দোলের দিনই পড়ছে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ, যা ঘিরে তৈরি হয়েছে কৌতূহল ও কিছুটা সংশয়। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, মঙ্গলবার দুপুর ৩টে ২০ মিনিটে শুরু হবে গ্রহণ। ভারতের আকাশে তা দৃশ্যমান হবে বলেই এই গ্রহণ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। শাস্ত্র মতে, গ্রহণের প্রায় ন’ঘণ্টা আগে থেকে সূতককাল শুরু হয়। সেই হিসাবে ভোর ৬টা ২০ মিনিট থেকে সূতককাল কার্যকর হবে।দোল মানেই রং খেলা, আবির, আনন্দ আর দোলযাত্রার পুজো। কিন্তু গ্রহণের দিনে এই সব আয়োজন করা যাবে কি না, তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন। জ্যোতিষীদের মতে, সূতককাল শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত রং খেলা বা পুজোর প্রস্তুতিতে বাধা নেই। তবে সূতককাল চলাকালীন মন্দিরে পূজা, প্রতিমা স্পর্শ বা শুভ কাজ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। অনেকেই এই সময় উপবাস পালন করেন এবং গ্রহণ শেষে স্নান করে গৃহশুদ্ধি করে তবেই পুজো সম্পন্ন করেন।তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, গ্রহণ একটি প্রাকৃতিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা। সামাজিক ও ধর্মীয় আচার পালন ব্যক্তিগত বিশ্বাসের উপর নির্ভরশীল। তাই কেউ চাইলে শাস্ত্র মেনে চলতে পারেন, আবার কেউ স্বাভাবিক নিয়মেই দোল উদ্‌যাপন করতে পারেন।সব মিলিয়ে, গ্রহণের ছায়া থাকলেও দোলের আনন্দে ভাটা পড়ার কারণ নেই—সচেতনতা ও বিশ্বাসের সমন্বয়েই কাটুক রঙিন উৎসব।