Share News দিপায়ণ ঘোষ, এখন কলকাতা : খড়গপুরে এআই গবেষণায় নতুন দিগন্ত, আইআইটি-তে ‘জ্যোতি চ্যাটার্জি স্কুল অব ডিজিটাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ উদ্বোধনখড়গপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিকে আরও বাস্তবমুখী ও শিল্পসংযুক্ত করতে বড় পদক্ষেপ নিল আইআইটি খড়গপুর। প্রতিষ্ঠানে উদ্বোধন হল ‘জ্যোতি চ্যাটার্জি স্কুল অব ডিজিটাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’। কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি শুধুমাত্র একটি নতুন বিভাগ নয়, বরং গবেষণা থেকে শিল্পক্ষেত্রে বাস্তব প্রয়োগ পর্যন্ত সম্পূর্ণ একটি এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ।প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন এই স্কুলটি ডিন (রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট)-এর অধীনে পরিচালিত হবে এবং একাডেমিয়া, শিল্প ও সরকারের মধ্যে সরাসরি সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে। গবেষণা, প্রোটোটাইপ নির্মাণ এবং শিল্পক্ষেত্রে প্রয়োগ—সমগ্র প্রক্রিয়াকে এক ছাতার তলায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই উদ্যোগে বড় আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছেন আইআইটি খড়গপুরের প্রাক্তনী ড. জ্যোতি চ্যাটার্জি (বি.টেক, ১৯৭৭)। তিনি আগামী পাঁচ বছরে মোট ৫০ লক্ষ মার্কিন ডলার অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সময় ১০ লক্ষ মার্কিন ডলার প্রদান করা হয়েছে।নতুন স্কুলে ডিজিটাল ইঞ্জিনিয়ারিং, মেশিন লার্নিং, ডিপ নিউরাল সিস্টেম, আইওটি, রোবোটিক্স, ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং, ক্লাউড অবকাঠামো ও ডিজিটাল হেলথ-সহ একাধিক আধুনিক প্রযুক্তিক্ষেত্রকে একত্রিত করা হবে। পাশাপাশি স্কুল অব মেডিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ও সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের সঙ্গে যৌথভাবে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এআই প্রয়োগের কাজও এগোবে।আইআইটি খড়গপুরের পরিচালক অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী বলেন, এই উদ্যোগ গবেষণাকে জাতীয় শক্তিতে রূপান্তর করার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তাঁর মতে, শিল্প-একাডেমিয়া-সরকারের সমন্বয়ে দেশীয় এআই সমাধান গড়ে তোলাই মূল লক্ষ্য। প্রতিষ্ঠান মনে করছে, এই স্কুল ভবিষ্যতে প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার পথে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে। Post navigation দোলের দিনে তারকেশ্বরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনাদুধপুকুরে তলিয়ে মৃত্যু দশম শ্রেণির ছাত্র চঞ্চল ঘোষ নীতীশ গেলে মুখ্যমন্ত্রী কে? সামনে সম্রাটের নাম