Share News

শুভশ্রী, এখন কলকাতা : একুশের বিধানসভা নির্বাচনে উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল নন্দীগ্রাম। ছাব্বিশের আগে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা—তবে কি সেই জায়গা নিতে চলেছে ভবানীপুর? সাম্প্রতিক ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়াকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক, আর সেই আবহেই মুখোমুখি অবস্থান শাসক ও বিরোধীর।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রায় ৬০ হাজার ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। তাঁর দাবি, “জেনেশুনে নাম কাটা হয়েছে।” যদিও আত্মবিশ্বাসী সুরে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এক ভোটে হলেও ভবানীপুর থেকে জিতবেন তিনি। দক্ষিণ কলকাতার এই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে এত সংখ্যক নাম বাদ পড়া নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে।এই প্রেক্ষাপটে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ কড়া ভাষায় পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছেন। বুধবার তিনি বলেন, “শত্রুকে ঘায়েল করতে গেলে তাঁর ঘরে ঢুকে মারতে হবে।” পাশাপাশি তৃণমূলকে আক্রমণ করে তাঁর মন্তব্য, ভবানীপুর থেকেই বিজেপি আক্রমণ শুরু করেছে এবং নন্দীগ্রামে প্রমাণ হয়েছে যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরাজেয় নন।উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজিত হন, যা রাজ্য রাজনীতিতে বড় তাৎপর্য বহন করেছিল। সেই স্মৃতিই ফের উসকে দিয়ে বিজেপির দাবি, ভবানীপুরেও পালাবদল সম্ভব।সব মিলিয়ে, ভবানীপুর ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। আগামী নির্বাচনের আগে এই কেন্দ্র যে রাজ্যের রাজনীতিতে অন্যতম ভরকেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।