Share News

সানু মন্ডল, এখন কলকাতা : QatarEnergy-এর রাস লাফান এলএনজি প্ল্যান্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ার জেরে বিশ্ববাজারে প্রাকৃতিক গ্যাসের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন। মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইজরায়েল সংঘাত তীব্র হতেই ইরানের ড্রোন হামলার পর বিশ্বের বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রফতানি কেন্দ্রগুলির একটি, কাতারের রাস লাফান প্ল্যান্টে উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্ল্যান্ট থেকেই বিশ্বব্যাপী এলএনজি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জোগান দেওয়া হয়।প্ল্যান্ট বন্ধের খবর ছড়াতেই ইউরোপীয় বাজারে গ্যাসের দাম একলাফে সর্বোচ্চ ৫৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়, যা গত এক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরবরাহে বড়সড় ধাক্কার আশঙ্কাই এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ। ইতিমধ্যেই ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের ট্যাঙ্কার চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ও গ্যাস রফতানি ব্যাহত হচ্ছে।ইউরোপে বর্তমানে গ্যাসের মজুত অস্বাভাবিকভাবে কম। আগামী শীতের আগে বিপুল পরিমাণ এলএনজি আমদানির প্রয়োজন রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সরবরাহ ঘাটতির আশঙ্কায় বাজারে উদ্বেগ চরমে পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সংস্থা Goldman Sachs সতর্ক করে জানিয়েছে, যদি এক মাসের জন্য হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকে, তবে ইউরোপে গ্যাসের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যেতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।