Share News

পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষ এবং হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার জেরে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া থেকে তেল আমদানির ক্ষেত্রে ভারতকে ৩০ দিনের শর্তসাপেক্ষ ছাড় দিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, এই ছাড় মূলত সমুদ্রে আটকে থাকা রাশিয়ান তেল সংক্রান্ত লেনদেনের অনুমতি দেওয়ার জন্যই দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এতে রাশিয়ার তেমন কোনও বড় আর্থিক লাভ হবে না। জানা গিয়েছে, এই ছাড় শুধুমাত্র ৫ মার্চের আগে জাহাজে লোড করা রাশিয়ান তেলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সেই অনুমতি কার্যকর থাকবে ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন সময় রাত ১২টা ১ মিনিট পর্যন্ত। ব্লুমবার্গের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহ থেকে এশিয়ার জলপথে প্রায় ৯৫ লক্ষ ব্যারেল রাশিয়ান তেল জাহাজে করে আটকে রয়েছে।

এদিকে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। বিশ্বের অপরিশোধিত তেল সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই রুট দিয়ে সাধারণত বিশ্বে প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। এই প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায় ৩০০ থেকে ১০০০ তেলবাহী ট্যাঙ্কার বিভিন্ন জায়গায় আটকে রয়েছে বলে খবর।

অস্থিরতার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম ছিল প্রায় ৬৫ ডলার। বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ৮৪ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সংঘর্ষ দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এই পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে ভারতের অর্থনীতিতে। কারণ, দেশের মোট তেলের চাহিদার প্রায় ৮৮ শতাংশই আমদানির উপর নির্ভরশীল এবং তার একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালী দিয়েই আসে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হলে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সানু, এখন কলকাতা, পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষ এবং হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার জেরে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে অস্থিরতা চরমে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া থেকে তেল আমদানির ক্ষেত্রে ভারতকে ৩০ দিনের শর্তসাপেক্ষ ছাড় দিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, এই ছাড় মূলত সমুদ্রে আটকে থাকা রাশিয়ান তেল সংক্রান্ত লেনদেনের অনুমতি দেওয়ার জন্যই দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এতে রাশিয়ার তেমন কোনও বড় আর্থিক লাভ হবে না।

জানা গিয়েছে, এই ছাড় শুধুমাত্র ৫ মার্চের আগে জাহাজে লোড করা রাশিয়ান তেলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সেই অনুমতি কার্যকর থাকবে ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন সময় রাত ১২টা ১ মিনিট পর্যন্ত। ব্লুমবার্গের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহ থেকে এশিয়ার জলপথে প্রায় ৯৫ লক্ষ ব্যারেল রাশিয়ান তেল জাহাজে করে আটকে রয়েছে।

এদিকে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে। বিশ্বের অপরিশোধিত তেল সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই রুট দিয়ে সাধারণত বিশ্বে প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয়। এই প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায় ৩০০ থেকে ১০০০ তেলবাহী ট্যাঙ্কার বিভিন্ন জায়গায় আটকে রয়েছে বলে খবর।

অস্থিরতার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম ছিল প্রায় ৬৫ ডলার। বর্তমানে তা বেড়ে প্রায় ৮৪ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সংঘর্ষ দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এই পরিস্থিতির সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে ভারতের অর্থনীতিতে। কারণ, দেশের মোট তেলের চাহিদার প্রায় ৮৮ শতাংশই আমদানির উপর নির্ভরশীল এবং তার একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালী দিয়েই আসে। ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হলে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।