Share News নিউজ ব্যুরো, এখন কলকাতা : রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে আইনজীবী মহলেও চড়ছে নির্বাচনী উত্তেজনা। রাত পোহালেই শুরু হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলের দ্বাদশ নির্বাচন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত হাই পাওয়ার্ড মনিটরিং কমিটির তত্ত্বাবধানে আগামী ৯ ও ১০ মার্চ এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনকে ঘিরে আইনজীবী মহলে যেমন উৎসাহ রয়েছে, তেমনই রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় সংশোধিত নয়া বিধি এবং অল ইন্ডিয়া বার কাউন্সিলের ‘নমিনি’ প্রথা নিয়ে তৃণমূল, বিজেপি ও বাম-কংগ্রেস শিবিরের মধ্যে বিতর্ক তীব্র হয়েছে। এবারের নির্বাচনে মোট ২৫ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন। এর মধ্যে ২টি আসন অল ইন্ডিয়া বার কাউন্সিল মনোনীত মহিলা প্রতিনিধিদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। বাকি ২৩টি আসনের মধ্যে ৫টি মহিলাদের জন্য এবং ১৮টি পুরুষদের জন্য নির্ধারিত। রাজ্যের প্রায় ৭৪ হাজার আইনজীবী ৮৭টি কেন্দ্রে ভোট দিয়ে মোট ৭৫ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ করবেন। তৃণমূল কংগ্রেস সবকটি আসনেই প্রার্থী দিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি ২২ জন প্রার্থী দিয়েছে এবং বাম-কংগ্রেস জোটও তাদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। বার কাউন্সিলের বর্তমান চেয়ারম্যান তথা প্রবীণ তৃণমূল নেতা অশোক দেব এবারের ভোটেও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। ১৯৮৮ সাল থেকে কাউন্সিলের প্রতিনিধি এবং ১৯৯৪ সাল থেকে সর্বভারতীয় বার কাউন্সিলের সদস্য তিনি। তাঁর দাবি, গতবার তৃণমূল ১৫টি আসনে জয় পেয়েছিল, এবার সেই সংখ্যা ২০ ছাড়িয়ে যাবে। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া নিয়ম এবং নমিনি প্রথা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, অল ইন্ডিয়া বার কাউন্সিলে বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় নমিনি ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজ্য বার কাউন্সিলে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চলছে। আইনজীবীদের তালিকাভুক্তি, তাঁদের অধিকার রক্ষা, কল্যাণমূলক তহবিল পরিচালনা এবং পেশাগত অসদাচরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব থাকে এই কাউন্সিলের হাতে। ফলে এই নির্বাচনকে ঘিরে আইনি মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়ার ওপর নজর রাখছে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি ডি কুমার ও অসীম কুমার রায়ের নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটি। রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্বে রয়েছেন প্রবীণ আইনজীবী সাগর বন্দ্যোপাধ্যায়। Post navigation ইরান যুদ্ধ শেষ? ট্রাম্পের মন্তব্যে বাড়ছে ধোঁয়াশা বঙ্গে কত দফায় ভোট? সিদ্ধান্ত আইনশৃঙ্খলার উপর, জানালেন জ্ঞানেশ কুমার